প্রথম
দফায় ‘সাহস’সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেয়নি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড।
সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আপিল করলে সেন্সর বোর্ড কারণ দেখিয়ে প্রদর্শন–অশ্লীল
ও অসংলগ্ন সংলাপ থাকায় সিনেমাটিকে অযোগ্য ঘোষণা
করে কাটছাঁট করে নির্মাতারা পরে আবার নতুন
করে সিনেমাটি সেন্সরে জমা দিয়েছিলেন। গত মঙ্গলবার সিনেমাটি সেন্সর সনদ পেয়েছে।
বাংলাদেশ
চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সচিব মো. মমিনুল হক বলেন, ‘এর আগে সেন্সর বোর্ড আপত্তিকর
সংলাপ ও সহিংস দৃশ্য সংশোধন করে পুনরায় আপিল করার নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দিয়েছিল। কিন্তু
দেরিতে আপিল করায় তাদের আপিল রিজেক্ট করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী তখন সিনেমাটি সেন্সর বোর্ড
কর্তৃক বাতিল হয়ে যায়। তবে বাতিল কোনো সিনেমার কর্তৃপক্ষ চাইলে নতুন করে জমা দিতে পারে।
আমাদের সেন্সর বোর্ডের ভাষায় এটাকে রিভাইজ ভার্সন বলে। সম্প্রতি তারা নতুন করে সিনেমাটি
জমা দিয়েছিল। সিনেমাটি আমরা দেখেছি। দু–একটি আপত্তি শেষে সিনেমাটিকে সেন্সর
ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।’
সিনেমাটির
সেন্সরের খবরে খুশি নির্মাতা সাজ্জাদ খান। তিনি বলেন, ‘৬ সেপ্টেম্বর সিনেমাটি সেন্সর
বোর্ডের সদস্যরা দেখেন। তখন তাঁরা ছোট দুটি অংশে সংশোধন করতে বলেন। তারপরই আমরা সংশোধন
করে জমা দিই। গত মঙ্গলবার আমাদের ফোনে জানানো হয়, সিনেমাটি সেন্সর পেয়েছে। আমাদের জন্য
এটা খুবই খুশির সংবাদ। এখন সিনেমাটি কীভাবে মুক্তি দেওয়া যায়, সেটি নিয়ে ভাবছি। আমাদের
পরিকল্পনা রয়েছে, আগামী নভেম্বরে মুক্তি দেব।’
নির্মাতা
আরও বলেন, ‘সিনেমায় আমি একজন নারীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প দেখিয়েছি। সব বাধা পেছনে ফেলে
যে এগিয়ে যায়।’ এতে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, নাজিয়া হক অর্ষাসহ
থিয়েটার রেপার্টরির ৩০ জনের বেশি তরুণ অভিনয়শিল্পী।
