নগর বাউল জেমসের বাংলালিংকের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে মামলার করতে এসেও মামলা না করে চলে গেলেন। রবিবার মামলা করতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে মামলার আবেদন করতে আসেন। কিন্তু আদালতের পরামর্শ মামলা না করেই চলে যান তিনি।
সকালে আদালতে এলেও বেলা ১ টায় তিনি আইনজীবীর চেম্বার থেকে বের হয়ে মামলা না করেই চলে যান। এ সময় মামলার বিষয়ে জানতে চাইলেও তিনি সাংবাদিকদের কোন কথা বলেন নি। তবে এ বিষয়ে আইনজীবীর সাথে কথা বলতে বলেন।
বাংলালিংকের বিরুদ্ধে রবিবার সকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে মামলা করতে আবেদন করেন তিনি।
এ সময় বিচারক তাকে থানায় (গুলশান থানা) গিয়ে মামলা করতে পরামর্শ দেন। দুপুর ১টার দিকে তিনি বিচারকের পরামর্শে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেমসের আইনজীবী তাপস কুমার।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) তাপস কুমার পাল বলেন, জেমস আদালতে বাংলালিংকের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে মামলার আবেদন করতে আসেন। বিচারক গুলশান থানায় গিয়ে মামলার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া থানায় যদি মামলা না নেয়, তা হলে আদালতে এসে মামলার আবেদন করতে বলেন।
কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে নিজের গান সুরক্ষার জন্য মামলা করতে ঢাকার নিম্ন আদালতে গেছেন নগর বাউল জেমস।
রবিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশের আদালতে জেমসের আইনজীবী তাপস কুমার এ মামলার আবেদন করেন।
এ সময় জেমস নিজেও সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। এরপর আদালত মামলাটি ফিরিয়ে দিয়ে থানায় যাওয়ার নির্দেশ দেন জেমসকে।
জানা গেছে, জেমসের অসংখ্য গান এখনও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনা অনুমতিতে বাণিজ্যিক ব্যবহার করে আসছে। এসব বিষয়ে কোনও সুরাহা না পেয়েই এবার আইনের আশ্রয় নিচ্ছেন জেমস।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেমসের আইনজীবী তাপস কুমার।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) তাপস কুমার পাল বলেন, জেমস আদালতে একটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে মামলার আবেদন করতে আসেন। বিচারক গুলশান থানায় গিয়ে মামলার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া থানায় যদি মামলা না নেয়, তা হলে আদালতে এসে মামলার আবেদন করতে বলেন।
